ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ , ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদের জামিন মেলেনি

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৩-০৪-২০২৬ ০২:০৯:০৮ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৩-০৪-২০২৬ ০২:০৯:০৮ অপরাহ্ন
​ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদের জামিন মেলেনি মামুন খালেদের



বিএনপির কর্মী মকবুল হত্যার অভিযোগে পল্টন মডেল থানার মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এ মামলায় রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত শেষে না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মতিঝিল জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি টিম রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে শেখ মামুনকে গ্রেপ্তার করে।


পরদিন দেলোয়ার হত্যা মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর গেল ৩১ মার্চ ছয় দিন এবং ৬ এপ্রিল তিন দিন এবং ৯ এপ্রিল মকবুল হত্যা মামলায় তার আরও তিন দিন এবং গতকাল এক দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর একদফা দাবি আদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। এর আগে ৭ ডিসেম্বর ডিবি পুলিশের হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযান চালায়। কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। কার্যালয়ের পাশে থাকা হাজার হাজার নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালায়। এতে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ

ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য, হাসপাতালে মৃত্যু আহত একজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছে। আজ সকালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালেছবি: প্রথম আলো লক্ষ্মীপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ওই ব্যক্তি একটি তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ সোমবার সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ি এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম নাছির আহমদ (৫৫)। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১ আগস্ট অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সর্বশেষ তাঁর কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকার বাড়ির প্রবাসী মোহনের ভবনে ভাড়া থাকতেন নাছির আহমেদ। অবসরে যাওয়ার পর তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তাঁর দুই ছেলের একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওই ছেলেকে নিয়ে সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে যান। ঘরে কেবল নাছির ও তাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ছিলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে অতর্কিতে ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন নাছির। আহত অবস্থায় ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নাছির তাঁকে ধাওয়া দেন। তা দেখে দা হাতে থাকা নাছিরকে আটকাতে যান মিজানুর রহমান ও নাসির আহমদ নামে দুই প্রতিবেশী। এ সময় ওই দুজনকেও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ঘটনার এক পর্যায়ে হাতে দা নিয়েই তিনতলা ভবনটির ছাদে উঠে নিচে লাফ দেন নাছির আহমদ। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় দা হাতে তিনি বসে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা থানায় বিষয়টি জানিয়ে আহত অন্য তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের একটি দল এসে নাছির আহমদকেও উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অরূপ পাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’